admin_news ২০ এপ্রিল ২০২৬ , ১০:৩৭ এএম প্রিন্ট সংস্করণ
সৈয়দ উসামা বিন শিহাব, ঢাকা উত্তর ব্যুরো প্রধান: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সানজিদা আক্তার তুলি। তাঁর এই নির্বাচনে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে তাঁকে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছিলেন সানজিদা আক্তার তুলি। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় কার্যক্রমে তাঁর অংশগ্রহণ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
দলের নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, তাঁর মতো অভিজ্ঞ ও কর্মঠ নেতৃত্ব সংসদে দলের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে। বিশেষ করে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা, জনগণের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, সানজিদা আক্তার তুলি নারী নেতৃত্ব বিকাশে ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈষম্য দূরীকরণে তাঁর উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি এই ক্ষেত্রগুলোতে আরও বিস্তৃতভাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সংসদে জোরালোভাবে উপস্থাপন করে তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সচেষ্ট থাকবেন।
এদিকে তাঁর নির্বাচনে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি দল এবং দেশের জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন প্রজন্মের নারী নেতৃত্বকে সামনে আনার ক্ষেত্রে এই নির্বাচন একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। সানজিদা আক্তার তুলির মতো নেত্রীদের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সর্বমহলের।










