admin_news ২৪ এপ্রিল ২০২৬ , ১:৪৮ পিএম প্রিন্ট সংস্করণ
স্টাফ রিপোর্টার: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান এবং তার কন্যা জায়মা রহমান-কে জড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ ও বিকৃত ছবি ছড়ানোর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন খুলনা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল।
আজ দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, একটি সংগঠিত চক্র পরিকল্পিতভাবে আবারও সেই পুরোনো অপপ্রচার কৌশল ফিরিয়ে আনছে—যার লক্ষ্য দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করা এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা।
রুবেল তার বক্তব্যে বলেন, অতীতে ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেন-এর প্রেক্ষাপট তৈরি করতে যেভাবে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি শক্তির মদদে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল, বর্তমানে ঠিক একই ধাঁচে নতুন করে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তার দাবি, সে সময় এসব ষড়যন্ত্র শক্ত হাতে দমন না করায় দেশ ও দলকে দীর্ঘ সময় ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতেই একটি মহল আবারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে হাতিয়ার বানিয়ে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অবাধ মতপ্রকাশের সুযোগকে অপব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সবচেয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে যুবদল নেতা বলেন, এই অপপ্রচার এখন এতটাই নিচে নেমে গেছে যে, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের নারী সদস্যদের নিয়েও অশালীন ও বিকৃত কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে জায়মা রহমানকে লক্ষ্য করে এমন আক্রমণকে তিনি ‘রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের চরম বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
রুবেল তার স্ট্যাটাসে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “জিয়া পরিবারের কোনো নারী সদস্যকে নিয়ে নোংরামি করা হলে দেশের লক্ষ-কোটি কর্মী-সমর্থকরা চুপ করে থাকবে না।” একই সঙ্গে তিনি ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ছবি ও অপপ্রচার নতুন কোনো বিষয় নয়, তবে তা যখন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পর্যায়ে গিয়ে আঘাত হানে, তখন তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা অতিক্রম করে। তারা মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে।
এদিকে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, অপপ্রচার ও গুজবের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে শক্ত অবস্থান নিয়ে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শালীনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।











