admin_news ১৬ নভেম্বর ২০২৫ , ৯:৩০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ শুরু হওয়ার আগে ইসলামী ঐক্যজোটের দুই অংশের বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। রবিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইসির সম্মেলন কক্ষে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য কমিশনার এবং ছয়টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংলাপ শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগে মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল কক্ষে প্রবেশ করলে সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন হাসানাত আমিনীর অনুসারীরা। প্রবেশ করেই রাজি অপর পক্ষকে ‘ফ্যাসিবাদের সহযোগী’ হিসেবে অভিযুক্ত করেন।
তিনি বলেন, “তারা পূর্ববর্তী নির্বাচনে ফ্যাসিবাদকে বৈধতা দিয়েছে। তাদের উপস্থিতিতে আমরা আলোচনায় বসতে পারব না।”
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ দুই পক্ষের আমন্ত্রণপত্র পরীক্ষা করতে চাইলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। রাজির অংশ হার্ডকপি প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়। আমিনীর অংশ কেবল মোবাইলে থাকা ডিজিটাল কপি দেখান।
সচিব স্পষ্ট জানান, “হার্ডকপি না থাকলে সংলাপে অংশ নেওয়া যাবে না।”
একাধিক অনুরোধ সত্ত্বেও সিদ্ধান্তে পরিবর্তন না আসায় শেষ পর্যন্ত আমিনীর অনুসারীদের সম্মেলন কক্ষ ছাড়তে বাধ্য করা হয়।
হলরুম থেকে বের হয়ে যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আলতাফ হোসেন অভিযোগ করেন যে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তার দাবি, “আমাদের নামেই দল নিবন্ধিত, আমন্ত্রণপত্রও আমাদের ছিল। ব্ল্যাকমেইল করে আমন্ত্রণপত্র অন্য অংশ দখল করেছে।”
সংলাপের শুরুতে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। আচরণবিধি মেনে চললে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সকালের এ সংলাপে অংশ নেয়—
গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি।











