ঢাকা উত্তর ব্যুরো প্রধান:- সামাদুল সামাদ ওরফে ‘মাওরা সামাদ’-এর বিরুদ্ধে ‘বারোমাস টেলিভিশন’ নামে একটি অনুমোদনহীন ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনার আড়ালে প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন বা নিবন্ধন ছাড়াই ‘বারোমাস টেলিভিশন’ নামে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করছেন এবং সেটিকে একটি স্বীকৃত সংবাদমাধ্যম হিসেবে উপস্থাপন করছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, একটি জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক যাচাই-বাছাই করে দেখতে পান যে, উক্ত ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলটি সম্পূর্ণরূপে ভুয়া এবং এর কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। পরবর্তীতে আরও অনুসন্ধানে অভিযোগ উঠে আসে যে, তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেছেন।
“সে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মানুষকে ভয় দেখায় এবং নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করে”—এমন অভিযোগ করেন স্থানীয় এক ভুক্তভোগী বলেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্যকে পুঁজি করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং এটিকে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণার কৌশল বলে মনে করছেন অনেকে।
এ বিষয়ে সমাদুল সামাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ভুয়া সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা বাড়ছে, যা প্রকৃত সাংবাদিকতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।