খুলনা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক পদ পাওয়া ফিরোজ মাহমুদকে একটি পুরোনো অভিনয়ধর্মী ভিডিওকে কেন্দ্র করে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই নেতাকে মাদকাশক্তের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, এটি ছিল নিছক বিনোদনমূলক অভিনয়, যার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত জীবন বা বাস্তব আচরণের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি লেখেন,
“জীবনে কোনদিনও খাইলাম না একটা বিড়ি, অথচ মজার ছলের অভিনয়ের ভিডিওর মাধ্যমে হয়ে গেলাম মাদকাসক্ত।”
স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, কোনো ভিডিওর আংশিক বা প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনা না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া দুঃখজনক। তাদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য শোনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া অধিকতর যৌক্তিক হতো।
তারা মনে করেন, ছাত্রদলের মতো একটি বৃহৎ সংগঠনে দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে সঠিক তদন্ত ও বাস্তবতা যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি ভিডিওটি কেবলমাত্র অভিনয়ের অংশ হয়ে থাকে এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকে, তাহলে বিষয়টি মানবিক ও সাংগঠনিক দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, সংগঠনের উচ্চপর্যায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।